রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকায় প্রাইভেটকার পোড়ানোর মামলায় সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত মেজর সাদিকুল হক সাদিককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন নাকচ করেছেন আদালত। তার বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকায় কারামুক্তিতে আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।
রোববার (১৬ আগস্ট) শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।
সাদিকের আইনজীবী এইচ. এম আল-আমিন জানান, ভাটারা থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সাদিক ইতোমধ্যে হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন। এরপর ২০২৫ সালের একটি গাড়ি পোড়ানোর মামলায় তাকে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়। আদালত সেই আবেদন নাকচ করায় তার মুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর বসুন্ধরা এলাকায় একটি প্রাইভেটকার পোড়ানোর ঘটনায় গত ৭ আগস্ট সাদিককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন ভাটারা থানার এসআই চাঁদ আলী। তদন্ত কর্মকর্তার দাবি ছিল, কারাগারে থাকা অবস্থায়ও পূর্বপরিকল্পনা ও অর্থায়নের মাধ্যমে সাদিক ওই ঘটনায় ইন্ধন দিয়েছেন।
এর আগে শুনানিতে আসামিপক্ষ প্রশ্ন তোলে, ঘটনার সময় সাদিক কারাগারে থাকলে কীভাবে বাইরে গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন।
পরে আদালত ভাটারা থানার ওসি ও তদন্ত কর্মকর্তার কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চান। তদন্ত কর্মকর্তা লিখিত ব্যাখ্যায় সাদিকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন।
তবে তদন্ত কর্মকর্তার ব্যাখ্যা পর্যালোচনা শেষে আদালত প্রাইভেটকার পোড়ানোর মামলায় সাদিককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন চূড়ান্তভাবে নাকচ করেন।