প্রকাশিত: August 17, 2026
নিহত জুঁই রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা জনি চৌধুরীর মেয়ে। তাদের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার নরহা গ্রামে। ঢাকা থেকে বরগুনায় ভাড়াটিয়ার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল জুঁই ও তার মা।
স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, ঢাকার মিরপুরে জুঁইদের বাড়িতে দীর্ঘ দিন ধরে ভাড়া থাকেন জীবন মাহমুদ মাহফুজ নামের এক ব্যক্তি। সেই সূত্রে জুঁই, তার মা তাসলিমা বেগম এবং বান্ধবী মরিয়াম ইসলাম রিয়া বরগুনায় মাহফুজের গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। রোববার সকালে পৌঁছানোর পর তারা তাড়াহুড়া করে পাশেই পায়রা নদীর পাড়ে যান। একপর্যায়ে দুই বান্ধবী জড়াজড়ি করে নদীতে পড়ে গেলে রিয়া পাড়ে উঠতে পারলেও সাঁতার না জানা জুঁই জোয়ারের তোড়ে গভীর পানিতে তলিয়ে যায়।
খবর পেয়ে রোববার থেকেই বরগুনা ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় থানা পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। একদিন পর সোমবার বিকেলে সাগর মোহনার তেতুলবাড়িয়া চরে জুঁইয়ের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
জুঁইয়ের মা তাসলিমা বেগম বলেন, তাদের বাড়িতে ভাড়া থাকেন জীবন মাহমুদ মাহফুজ। সেই সূত্রেই মাহফুজদের গ্রামের বাড়ি বরগুনাতে তিনি মেয়ে এবং মেয়ের বান্ধবীকে নিয়ে বেড়াতে আসেন।