প্রকাশিত: August 22, 2026
ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় নিখোঁজের একদিন পর পুকুর থেকে চার বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভোরে বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃত শিশুটির নাম সিদরাতুল মুনতাহা আয়াত (৪)। সে সোনাগাজী উপজেলার চরচান্দিয়া ইউনিয়নের ঈদগাহ এলাকার শেখ সাহাব সজীব ও জান্নাতুল ফেরদৌস মনি দম্পতির মেয়ে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর থেকে আয়াতকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে পরিবারের সদস্যরা বাড়ির আশপাশসহ বিভিন্ন স্থানে তার সন্ধানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। দীর্ঘ সময়েও শিশুটির সন্ধান না পাওয়ায় প্রথমে তার দাদা সোনাগাজী মডেল থানায় নিখোঁজের বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
এরপর শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভোরে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে শিশুটির মরদেহ ভেসে ওঠে। পরে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। শুক্রবার দুপুরে হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে বাদ আছর নামাজে জানাজা শেষে শিশুটিকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হাসিম বলেন, মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে যায়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। শিশুটির মায়ের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে মৃত্যুর কারণ বলা যাবে না। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি বলেন, শিশুটির বাবা-মায়ের দুই পরিবারের মধ্যে মনোমালিন্য চলছে বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। তাদের শ্বশুরবাড়ি একই এলাকায় হওয়ায় শিশুটির মা দাদার বাড়ির লোকজন এই ঘটনা ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ঘটনার আগে শিশুটি মায়ের সঙ্গে নানার বাড়িতে ছিল। নিখোঁজের ঘটনায় প্রথমে দাদা এবং পরে শিশুটির মা পৃথকভাবে জিডি করেন।