প্রকাশিত: September 7, 2026
পুলিশ জানায়, গত ১২ আগস্ট রাতে জসিম ফোন করে রাশেদুলকে বাড়ি থেকে ডেকে নেন। এরপর তিনি নিখোঁজ হন। পরদিন রাশেদুলের নম্বর থেকে তার বাবার কাছে ফোন করে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। এ ঘটনায় ওই দিনই থানায় জিডি করেন তার বাবা। পরে ২৫ আগস্ট অপহরণ মামলা করা হয়। এরপর রোববার দুপুরে নেত্রকোণার শ্যামগঞ্জ রেলস্টেশন এলাকা থেকে জসিমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে রফিক ও মোজাম্মেলকেও গ্রেপ্তার করা হয়। পরে জসিমের তথ্য অনুযায়ী চন্দ্রপুরের ‘গারোর ভিটা’ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন হাড়, মাথার খুলি ও পোশাক উদ্ধার করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফুলপুর থানার এসআই জিকরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা রাশেদুলকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তবে হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উদ্ধার করা হাড়ের অংশগুলো ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।