প্রকাশিত: September 8, 2026
মুক্তা ইসলামকে নির্যাতনের একটি ভিডিও তার ভাই তানভীর রহমানের মুঠোফোনে পাঠিয়েছিলেন স্বামী সোহেল শিকদার। ভিডিওটির সঙ্গে তিনি লিখেছিলেন, ‘তোমার বোনকে নিয়ে যাও।’ ভিডিওতে দেখা যায়, মুক্তার পায়ে শিকল পরানো। তাকে খাটের সঙ্গে বেঁধে চামড়ার বেল্ট দিয়ে মারধর করছেন সোহেল। পাশের কক্ষে তখন কাঁদছিল মুক্তার দুই সন্তান। চ্যানেলপ্যাক সাবস্ক্রাইব
এর দুই দিন পর খিলক্ষেতের বাসা থেকে মুক্তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর খিলক্ষেতের ৫ নম্বর সড়কের ৩৯ নম্বর বাড়ির তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায়।
মুক্তার পরিবারের অভিযোগ, নির্যাতনের পর তাকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মুক্তার ছোট ভাই তানভীর রহমান বাদী হয়ে খিলক্ষেত থানায় মামলা করেছেন। মামলার প্রধান আসামি মুক্তার স্বামী সোহেল শিকদারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মামলাটি তদন্ত করছেন খিলক্ষেত থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাজীব ভৌমিক।
মুক্তাকে নির্যাতনের প্রায় তিন মিনিটের একটি ভিডিও পেয়েছে পুলিশ। ভিডিওতে দেখা যায়, মুক্তার পায়ে শিকল দিয়ে খাটের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে। সোহেল চামড়ার বেল্ট দিয়ে তাকে একের পর এক আঘাত করছেন।
ভিডিওতে সোহেলকে বলতে শোনা যায়, ‘কথা ক, কথা ক, তোরে আজ পিটাইয়া মাইরা ফালামু।’ এর জবাবে মুক্তা বলেন, ‘আমি কিছু করিনি। আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি।’