বাইরে পুলিশ কনস্টেবলের কোলে শিশু, ভেতরে পরীক্ষা দিলেন মা

প্রকাশিত: September 20, 2026

  • শেয়ার করুন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

নিয়োগ পরীক্ষা দিতে এসেছেন মা। সঙ্গে ছোট্ট শিশু। পরীক্ষা শুরু হলে শিশুকে কার কাছে রেখে পরীক্ষায় অংশ নেবেন, এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে যান ওই নারী প্রার্থী। ঠিক তখনই মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেন দায়িত্বে থাকা নারী পুলিশ কনস্টেবল শিল্পী।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের অধীনে অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হয় সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ কেন্দ্রে। সেখানে এক নারী প্রার্থী তার ছোট শিশুকে সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে আসেন। পরীক্ষা চলাকালীন শিশুটির দেখাশোনা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তিনি।
বিষয়টি লক্ষ্য করেন পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনরত নারী পুলিশ কনস্টেবল শিল্পী। দায়িত্বের পাশাপাশি মানবিকতার জায়গা থেকে তিনি শিশুটিকে কোলে তুলে নেন। মায়ের পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্নেহ ও যত্নের সঙ্গে শিশুটির দেখাশোনা করেন তিনি।
পুলিশ কনস্টেবল শিল্পীর এই সহযোগিতায় স্বস্তি পান ওই নারী প্রার্থী। সন্তানকে নিয়ে দুশ্চিন্তা দূর করে তিনি নির্বিঘ্নে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেন।
ঘটনাটি উপস্থিত অন্যান্য পরীক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের নজর কাড়ে। দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি একজন পুলিশ সদস্যের এমন মমতাময় ও সহমর্মী আচরণ প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এমন মানবিক আচরণ সহজেই মানুষের ইতিবাচক দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে। কারণ, পুলিশের দায়িত্ব শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষা নয়, প্রয়োজনে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার পরিচয় দেওয়াও জনবান্ধব পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।
কনস্টেবল শিল্পীর এই ছোট্ট উদ্যোগই যেন বড় একটি বার্তা দিল, ‘ইউনিফর্মের আড়ালেও একজন পুলিশ সদস্যের হৃদয়ে রয়েছে মমতা, সহমর্মিতা ও মানবিকতা।’

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
নিয়োগ পরীক্ষা দিতে এসেছেন মা। সঙ্গে ছোট্ট শিশু। পরীক্ষা শুরু হলে শিশুকে কার কাছে রেখে পরীক্ষায় অংশ নেবেন, এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে যান ওই নারী প্রার্থী। ঠিক তখনই মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেন দায়িত্বে থাকা নারী পুলিশ কনস্টেবল শিল্পী।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের অধীনে অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হয় সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ কেন্দ্রে। সেখানে এক নারী প্রার্থী তার ছোট শিশুকে সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে আসেন। পরীক্ষা চলাকালীন শিশুটির দেখাশোনা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তিনি।
বিষয়টি লক্ষ্য করেন পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনরত নারী পুলিশ কনস্টেবল শিল্পী। দায়িত্বের পাশাপাশি মানবিকতার জায়গা থেকে তিনি শিশুটিকে কোলে তুলে নেন। মায়ের পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্নেহ ও যত্নের সঙ্গে শিশুটির দেখাশোনা করেন তিনি।
পুলিশ কনস্টেবল শিল্পীর এই সহযোগিতায় স্বস্তি পান ওই নারী প্রার্থী। সন্তানকে নিয়ে দুশ্চিন্তা দূর করে তিনি নির্বিঘ্নে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেন।
ঘটনাটি উপস্থিত অন্যান্য পরীক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের নজর কাড়ে। দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি একজন পুলিশ সদস্যের এমন মমতাময় ও সহমর্মী আচরণ প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এমন মানবিক আচরণ সহজেই মানুষের ইতিবাচক দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে। কারণ, পুলিশের দায়িত্ব শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষা নয়, প্রয়োজনে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার পরিচয় দেওয়াও জনবান্ধব পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।
কনস্টেবল শিল্পীর এই ছোট্ট উদ্যোগই যেন বড় একটি বার্তা দিল, ‘ইউনিফর্মের আড়ালেও একজন পুলিশ সদস্যের হৃদয়ে রয়েছে মমতা, সহমর্মিতা ও মানবিকতা।’

  • শেয়ার করুন