বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বর্তমান সংকট পূর্বসূরিদের রেখে যাওয়া জঞ্জাল: পর্যটন মন্ত্রী

প্রকাশিত: September 1, 2026

  • শেয়ার করুন

বিরোধী দল ও সমালোচকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, অনেকেই আন্দোলন করতে চান। বিরোধী দলের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিরা প্রায়ই গ্যাস-বিদ্যুৎ দিতে না পারার অভিযোগ তুলে সরকারকে সরে যেতে বলেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, সরকার সরে গেলে পরদিনই কি তারা বিদ্যুৎ দিতে পারবেন? ছয় মাসের মধ্যে কি গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট সমাধান করতে পারবেন? পারবেন না। কারণ, এসব অবকাঠামো গড়ে তুলতে সময়ের প্রয়োজন।

তিনি বলেন, একটি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেও সেটি নির্মাণ করতে অন্তত দুই বছর সময় লাগে। নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে দ্রুত কাজ করলেও দেড় থেকে দুই বছর সময় লাগবেই। সরকার সেই লক্ষ্যেই দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে।

 

জনভোগান্তি ও প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, কথায় কথায় জঞ্জাল তৈরি না করে যারা সামাজিক ও প্রশাসনিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বিদ্যমান আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে হবে। সরকারের একটাই লক্ষ্য— জনগণ যেন সুখে থাকে এবং একটি ভালো বাংলাদেশ পায়।

 

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাদের বোয়িং উড়োজাহাজ ব্যবহারের অনুরোধ ছিল। সেই অনুযায়ী বাংলাদেশ ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা করছে। পাশাপাশি আরও কিছু উড়োজাহাজ ইজারা নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ইউরোপের ফ্রান্স, ইংল্যান্ড ও জার্মানির যৌথ উদ্যোগে তৈরি এয়ারবাস থেকেও নতুন উড়োজাহাজ কেনা হবে। এর মাধ্যমে দেশের বিমান খাতকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করা হবে।

দেশের উন্নয়নের প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সরকার দেশকে আরও উন্নত করতে চায়। যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে পালন করবেন— এটাই প্রত্যাশা।

সভায় স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় সংসদ সদস্য, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি এবং সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

  • শেয়ার করুন