প্রকাশিত: October 1, 2026
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, কদলপুর এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত একটি সংঘবদ্ধ অপরাধীচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়। জানে আলম ওরফে ডাকাত আলম ও মোহাম্মদ আজিজ ওরফে আজিজ বসের নেতৃত্বাধীন চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি ও আদায় করে আসছিল। সর্বশেষ ২৫ সেপ্টেম্বর আবু বক্কর চৌধুরী নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে চাঁদা দাবি করা হয়। বিষয়টি যাচাই করে বুধবার রাতে অভিযান চালায় পুলিশ।
পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চক্রের কয়েকজন সদস্য গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে উভয় পক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময় হয়। এতে ১২ পুলিশ সদস্য আহত হন।
একপর্যায়ে দিলদার হোসেনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক করা হয়। অন্যরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে দিলদারের হেফাজত ও তার দেখানো স্থান থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এসপি জানান, প্রাথমিক তদন্তে গ্রেপ্তার ব্যক্তি ও পলাতক সহযোগীদের সংঘবদ্ধ ও অস্ত্রধারী অপরাধী হিসেবে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।
এর আগে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে কদলপুর এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তিনজনকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ডাকাতির প্রস্তুতি ও অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে।