নুর ও হাসান মামুনের মনোনয়ন বৈধ, বাতিল ২ স্বতন্ত্র প্রার্থীর

প্রকাশিত: January 1, 2026

  • শেয়ার করুন

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনের বহুল আলোচিত দুই প্রার্থী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত নেতা হাসান মামুনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী এই ঘোষণা দেন।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনে মোট আটজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে ছয়জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন, জামায়াতে ইসলামীর মুহা. শাহ আলম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা আবু বকর সিদ্দিকী, গণঅধিকার পরিষদের মো. শহিদুল ইসলাম ফাহিম এবং খেলাফত মজলিশের মো. দেলোয়ার হোসেন।

অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান বাবু ও এস. এম. ফজলুল হকের মনোনয়ন তথ্য সংকট থাকায় তাদের প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করা হয়।

মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়ায় বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন বলেন, দল থেকে বহিষ্কারের আগেই আমি প্রাথমিক সদস্য পদ ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি। দল যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করেছি। পটুয়াখালী-৩ আসনের বিএনপির কর্মী ও সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় আমি এগিয়ে যাচ্ছি এবং এই নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনো সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ জন্য আমি মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি। একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে জুলাই যোদ্ধাদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে চলমান তিন দিনের শোকের প্রতি সম্মান জানাই। আমি দশমিনা ও গলাচিপাসহ পটুয়াখালী জেলার গণঅধিকার পরিষদ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের ধন্যবাদ জানাই।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন, পটুয়াখালীর চারটি সংসদীয় আসন থেকে মোট ৩৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে ২৭ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে তিনজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আগামী ৫ থেকে ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাজেদুল ইসলাম সজল, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ওহিদুজ্জামান মুন্সীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। প্রার্থীদের পাশাপাশি তাদের প্রস্তাবকারী ও সমর্থকেরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

  • শেয়ার করুন