প্রকাশিত: September 26, 2026
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) দুই শিক্ষার্থীকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেছে স্থানীয়রা। পরে তাদের প্রক্টর অফিসে নেওয়া হলে বিয়েতে সম্মতি দেন দুজন। উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে শনিবার তাদের বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসংলগ্ন একটি মেসের পাশ থেকে দুজনকে আটক করা হয়।
জানা গেছে, ওই ছাত্র ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ছাত্রীটি ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসংলগ্ন মল্লিক মেসে থাকেন। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে একটি নির্জন স্থানে তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে তাদের নিরাপত্তাকর্মীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই দুই শিক্ষার্থী কিছুদিন ধরে নিয়মিত নির্জন স্থানে বসতেন। তাদের গতিবিধি লক্ষ্য করে শুক্রবার রাতে হাতেনাতে আটক করেন স্থানীয়রা। পরে নিরাপত্তাকর্মীদের মাধ্যমে তাদের প্রক্টর অফিসে নেওয়া হয়। এ সময় ওই ছাত্রকে স্থানীয়রা চড়-থাপ্পড় মারেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরে প্রক্টর অফিসে জিজ্ঞাসাবাদে দুই শিক্ষার্থী বিষয়টি স্বীকার করেন এবং বিয়েতে সম্মতি জানান। এরপর প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামানের সিদ্ধান্তে উভয়পক্ষের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে শনিবার তাদের বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মুচলেকায় ওই দুই শিক্ষার্থী জানান, আপত্তিকর অবস্থায় আমরা ধরা পড়ি। পরে প্রক্টরিয়াল বডি আমাদের উদ্ধার করেন। এ সময় স্থানীয়রা আমাদের মারধর এবং টাকা দাবি করেন। পরিবারের সম্মতিতে আমরা বিয়ের করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, দুই শিক্ষার্থীকে প্রক্টর অফিসে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে তারা বিয়েতে সম্মতি জানান। তাদের বাবা-মাকে ডেকে এনে বিয়ের ব্যবস্থা করা হবে। অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, মেয়েটি যে মেসে থাকেন, সেই মেস মালিককেও তলব করা হবে। কারণ রাত সাড়ে ৮টার মধ্যে মেসগুলো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।