প্রকাশিত: September 26, 2026
পরে নিখোঁজের রহস্য উন্মোচনে ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের সাইবার ইনভেস্টিগেশন সেল তদন্ত শুরু করে।
পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে জিম নিঝুমকে অপহরণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদে জিম জানান, নিঝুমের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ বেড়ানোর কথা বলে নিঝুমকে পাবনার ঈশ্বরদীর পাকশী রেলস্টেশন এলাকায় নিয়ে যান তিনি।
জিমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তকারী দল তাকে সঙ্গে নিয়ে পাকশী রেলস্টেশন এলাকায় গিয়ে ঘটনাস্থল শনাক্ত করে।
তদন্তে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ ঈশ্বরদী থানা পুলিশ সেখান থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছিল।
পরবর্তীতে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটের আর্কাইভে সংরক্ষিত মরদেহের ছবি সংগ্রহ করে তদন্তকারী দল। ছবিতে থাকা পোশাক দেখে জিম মরদেহটি নিঝুমের বলে শনাক্ত করেন।
মহেশপুর থানার ওসি আজাদ রহমান বলেন, জিম আদালতে হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন।