দুই স্ত্রীর মারামারির মাঝে জ্ঞান হারিয়ে হাসপাতালে মিশরের কোচ

প্রকাশিত: August 18, 2026

  • শেয়ার করুন
খেলার মাঠ ছাপিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত এক পারিবারিক ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে মিশরের ফুটবল অঙ্গনে। একটি অভিজাত বারে নিজের দুই স্ত্রীর মধ্যকার তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডা ও হাতাহাতির মাঝে হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে মিশর জাতীয় দলের কোচ ও কিংবদন্তি ফুটবলার হোসাম হাসানকে।

 প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, একপর্যায়ে চিৎকার-চেঁচামেচির পাশাপাশি একে অপরের দিকে জিনিসপত্র ছুড়ে মারেন এবং হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন তারা।সহিংসতা বাড়তে থাকলে বারের কর্মীরা এগিয়ে এসে তাদের থামানোর চেষ্টা করেন।

তীব্র এই মানসিক চাপ ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মাঝে হঠাৎ সংজ্ঞা হারিয়ে মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন হোসাম হাসান। এরপর তাকে দ্রুত স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়।
 

তর্কাতর্কির মূল কারণ এখনও জানা যায়নি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছালেও এবং ঘটনার তীব্রতা যথেষ্ট বেশি থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষই থানায় আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি।

তবে ঘটনার রেশ সেখানেই থামেনি। পরবর্তীতে দুই পক্ষের পরিবারের সদস্য ও বন্ধুরা বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় গণমাধ্যমে পাল্টাপাল্টি দোষারোপ এবং অভিযোগের ঝড় তোলেন।

হোসাম হাসান মিশরীয় ফুটবলের এক অবিসংবাদিত কিংবদন্তি। জাতীয় দলের হয়ে গোল ও ম্যাচ খেলার একাধিক রেকর্ড গড়া এই সাবেক তারকা বর্তমানে দেশটির কোচের দায়িত্ব পালন করছেন।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে হোসামের অধীনে ইতিহাস গড়েছিল মিশর। তার অধীনে মিশর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে (শেষ ষোলো) পৌঁছায়। তবে শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-২ গোলে হেরে বিদায় নেওয়ার পর তিনি চরম বিতর্কের জন্ম দেন। রেফারি ও ভিএআর-এর সিদ্ধান্তকে পক্ষপাতদুষ্ট ও অন্যায় বলে দাবি করে তিনি বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। পাশাপাশি ফিলিস্তিনের পতাকা উড়িয়ে ও ফিলিস্তিন নিয়ে ঝাঁঝালো বক্তব্য দিয়ে নজর কাড়েন তিনি।

  • শেয়ার করুন