খুমেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতির পেছনের কারিগর ডা: পলাশ !

প্রকাশিত: September 27, 2026

  • শেয়ার করুন

খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক বাড়ছে। খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে খুলনা জেলায় চারজন এবং খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে একজন ডেঙ্গু রোগী মারা গেছে। যা এ বছরের সর্বোচ্চ মৃত্যু।

ডেঙ্গুর এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে খুমেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা হঠাৎ করে কর্মবিরতি শুরু করেন। শনিবার দুপুর ১টা থেকে কর্মবিরতি শুরু করে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। তাদের কর্মবিরতির কারণে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে চিকিৎসাসেবা বন্ধ হয়ে চরম ভোগান্তি শুরু হয়। দুর্ভোগের এ ঘটনাটি মুহূর্তেই গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অবশেষে জাতীয় সংসদের হুইপ, খুলনা ৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুলের নির্দেশে কর্মবিরতি সন্ধ্যা ৭ টায় প্রত্যাহার করা হয়।

জানাগেছে, খুলনা মেডিকেল কলেজের (খুমেক) মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক (চলতি দায়িত্ব) ডা. মো. জাহিরুল হককে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব দেওয়ার প্রতিবাদে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা থেকে এ কর্মবিরতি শুরু করেন তারা।

কর্মবিরতিকালে ভোগান্তির শিকার রোগী ও স্বজনরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি চিকিৎসকদের অভ্যন্তরীণ দাবি-দাওয়ার বিষয় কেন আমরা ভোগান্তির শিকার হব। সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নজরদারি ও যথাযথ ব্যবস্থার ঘাটতি রয়েছে বলে প্রশ্ন তোলেন অসহায় রোগী ও স্বজনরা।

এদিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের হঠাৎ করে কর্ম বিরতি পালনের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, সেখানকার চিকিৎসকদের রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জের ধরেই কর্মবিরতি ঘোষণা করে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। তবে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের এ কর্মবিরতি ঘোষণার পেছনের কারিগর খুলনা মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প পরিচালক ডা: আবু জাফর মো: সালেহ (ডা: পলাশ )। সরকারের মেঘা একটি প্রকল্পের পরিচালক হওয়া সত্ত্বেও কেনো রোগীদের ভোগান্তিতে ফেলে সাধারণ মানুষকে সরকারের বিরুদ্ধে প্রশ্ন করার সুযোগ করে দিচ্ছেন?
নেপথ্যের কারণ হিসেবে জানা গেছে, ডা: পলাশের সমর্থিত সহযোগী অধ্যাপক ডাক্তার মোয়াজ্জেম হোসেনকে মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান না করায় তিনি এ কান্ড ঘটিয়েছেন।

  • শেয়ার করুন