প্রকাশিত: October 5, 2026
এ ঘটনায় আসামিকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করার অভিযোগে পুলিশের এসআই প্রবীর কুমার বিশ্বাস, প্রিজনভ্যানের চালক নায়েক কামাল হোসেন ও পিচ্চি রাজার বোন তাসলিমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার।
পুলিশ কমিশনার জানান, গত ২৭ সেপ্টেম্বর ২৯ জন আসামিকে নিয়ে ঢাকা জেলা জজ কোর্ট থেকে কাশিমপুর কারাগারে যাওয়ার পথে তাঁতীবাজারের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাছে প্রিজনভ্যানটি থামানো হয়। সেখানে প্রিজনভ্যানের ইনচার্জ এসআই প্রবীর কুমার বিশ্বাস চালকের কাছ থেকে ভ্যানের চাবি নেন।
পরে খাইরুল বাশারকে ভ্যানের সামনে নেওয়া হলেও পিচ্চি রাজা ও এসআই প্রবীর কুমার বিশ্বাস ভ্যানে ওঠেননি। পরে ঘটনাস্থলে অপেক্ষমাণ একটি ব্যক্তিগত গাড়িতে করে পিচ্চি রাজা পালিয়ে যান।
তিনি আরও জানান, রাত সাড়ে ৮টার দিকে এসআই প্রবীর কুমার বিশ্বাস ঘটনাস্থলে ফিরে এসে প্রিজনভ্যানে ওঠেন। এরপর স্কট পার্টির সদস্যদের নিয়ে আসামি পালানোর ঘটনা সাজানো হয়।
তদন্তে পাওয়া সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে প্রবীর কুমার বিশ্বাস, ভ্যানচালক নায়েক কামাল হোসেন ও পিচ্চি রাজার বোন তাসলিমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের এবং পলাতক পিচ্চি রাজাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মামলা ও কারাগার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আসামিদের ঢাকার আদালতে হাজিরা ও মামলার শুনানির জন্য নেওয়া হয়। আদালতের কার্যক্রম শেষে তাদের কাশিমপুর কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে প্রিজনভ্যানের সঙ্গে থাকা কনস্টেবল মো. জাকির হোসেন, কনস্টেবল মো. সাকিব ও কনস্টেবল শাকিল হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।