এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এনবিআর।
প্রকাশিত: October 6, 2026
এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এনবিআর।
কাস্টমস গোয়েন্দা জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেল, এয়ারপোর্টের ‘সি’ শিফটের কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে সতর্ক অবস্থান নেন। পরে জি৯-৫৭১ ফ্লাইটে আসা যাত্রীদের ব্যাগেজ স্ক্যান ও তল্লাশি করা হয়। এ সময় তিন যাত্রীর ব্যাগেজ থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেটসহ বিভিন্ন পণ্য পাওয়া যায়।
এর মধ্যে যাত্রী মোহাম্মদ শাহীনের ব্যাগেজ থেকে ৩২০ কার্টন সিগারেট, একটি মোবাইল ফোন ও একটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়। কে এম ফজল হকের ব্যাগেজ থেকে ১২৫ কার্টন সিগারেট ও একটি ল্যাপটপ এবং যাত্রী বেলায়েত ভূঁইয়া হোসাইনের ব্যাগেজ থেকে ১৮৬ কার্টন সিগারেট ও একটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়।
তিন যাত্রীর কাছ থেকে মোট ৬৩১ কার্টন বিদেশি সিগারেট, একটি মোবাইল ফোন ও তিনটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়। এসব পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩২ লাখ ৪০ হাজার টাকা।