প্রকাশিত: October 29, 2026
প্রকাশিত:
রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে বাসা পরিবর্তনের কথা বলে আসবাবপত্র সরানোর সহায়তা চান দুই নারী। তাদের সহায়তা করতে এগিয়ে যান মো. সামিউল ইসলাম (২৮)। পরে কৌশলে তাকে একটি বাসায় নিয়ে আটকে রেখে ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হয়। এসব ছবি ও ভিডিও তার স্ত্রীর কাছে পাঠানোর ভয় দেখিয়ে ৩৫ হাজার টাকা দাবি করা হয়। মারধরের পর বিকাশের মাধ্যমে তাকে টাকা পাঠাতে বাধ্য করা হয়।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কামরাঙ্গীরচর থানা পুলিশ। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন মো. সোহান (২১) ও নার্গিস আক্তার। এ সময় ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে সোহানকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ভুক্তভোগীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মামলার অপর আসামি কৌশিক আহমেদ মন্টুর বাসা থেকে তার স্ত্রী নার্গিস আক্তারকে নারী পুলিশের সহায়তায় গ্রেফতার করা হয়।
কামরাঙ্গীরচর থানা পুলিশের বরাত দিয়ে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারের ডিসি মো. আকতার হোসেন জানান, বুধবার দুপুরে দুই অজ্ঞাতনামা নারী বাসা পরিবর্তনের কথা বলে আসবাবপত্র সরানোর সহায়তা চান। তাদের সহায়তা করতে এগিয়ে যান সামিউল ইসলাম। পরে কৌশলে তাকে কৌশিক আহমেদ মন্টুর বাসায় নিয়ে আটকে রেখে ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হয়।
এসব ছবি ও ভিডিও তার স্ত্রীর কাছে পাঠানোর ভয় দেখিয়ে ৩৫ হাজার টাকা দাবি করা হয়। এ সময় তাকে মারধর করে বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে বাধ্য করা হয়।
পরে ভুক্তভোগীর বড় ভাই থানায় বিষয়টি জানান। এরপর কামরাঙ্গীরচর থানা পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে সামিউলকে উদ্ধার ও দুজনকে গ্রেফতার করে।
এ ঘটনায় কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।