ঘটনার প্রায় সাড়ে তিন মাস পর শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ভোরে রাজধানীর বারিধারা আবাসিক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রকাশিত: October 30, 2026
ঘটনার প্রায় সাড়ে তিন মাস পর শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ভোরে রাজধানীর বারিধারা আবাসিক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় মোশাররফের গাড়িচালক মিন্টুসহ অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১৫ জন পূর্বপরিকল্পিতভাবে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে অপুকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন।
পরে অপুর দুলাভাই ইফতিয়ার রায়হান স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে বাসায় নিয়ে যান। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৭ জুলাই তার বড় ভাই ও মামলার বাদী সোহান রাড়ী তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
অবস্থার আরও অবনতি হলে একইদিন দুপুর ২টা ৫ মিনিটের দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মোহাম্মদপুর থানাধীন লালমাটিয়ার বাংলাদেশ ক্রিটিক্যাল কেয়ার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল লিমিটেডে নেওয়া হয়। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩১ জুলাই সকাল ৯টা ২৭ মিনিটে মারা যান অপু।
এ ঘটনায় অপুর বড় ভাই সোহান রাড়ী বাদী হয়ে দারুস সালাম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তিনি আরও জানান, মামলা দায়েরের পর ১ আগস্ট মামলার দুই নম্বর আসামি মিন্টুকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়। তবে মামলার প্রধান আসামি মোশাররফ পলাতক ছিলেন। অবশেষে শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে ভাটারা থানা বারিধারা আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে দারুস সালাম থানা পুলিশ।
পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। গ্রেপ্তার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে আরও কয়েকটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশের এই কর্মকর্তা।