প্রকাশিত: November 6, 2026
বিপিসির নথিপত্র অনুযায়ী, গত অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরে আসা ৫৬টি জাহাজের বিএল অনুযায়ী জ্বালানির পরিমাণ ছিল ১৭ লাখ ৫১ হাজার ৯২৮.৮৪২ টন। কিন্তু খালাস শেষে পাওয়া গেছে ১৭ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৯.৩৫৭ টন। অর্থাৎ ঘাটতির পরিমাণ দুই হাজার ৪৪৯.৪৮৫ টন।
ঘাটতির বড় অংশ হাই স্পিড ডিজেলে (এইচএসডি)। এই জ্বালানির ঘাটতি দুই হাজার ২৬.৪৫৮ টন, যা প্রায় ২৪ লাখ তিন হাজার ৩৭৯ লিটার। এ ছাড়া পেট্রল ও অকটেনে ২৮১.৭৮৯ টন বা প্রায় তিন লাখ ৮৫ হাজার ৪৮৭ লিটার এবং জেট এ-১ জ্বালানিতে ১৪১.২৩৮ টন বা প্রায় এক লাখ ৭৫ হাজার ৭০০ লিটার ঘাটতি পাওয়া গেছে।
জাহাজভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি ঘাটতি দেখা গেছে ‘এমটি টর্ম অ্যাগনেস’ জাহাজে।
মেঘনা পেট্রোলিয়ামের অপারেশন বিভাগের দাবি, ঘাটতির পরিমাণ নির্ধারিত সহনীয় সীমা ০.৩ শতাংশের মধ্যে। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, নির্দিষ্ট চারটি জাহাজে বিএল অনুযায়ী পরিমাণের তুলনায় প্রায় ০.৭ শতাংশ কম জ্বালানি পাওয়া গেছে। এ নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, মেইন পয়েন্ট ইনস্টলেশন (এমআই) খালাসপ্রক্রিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন চালু না হওয়া এবং তদারকির ঘাটতি এ ধরনের আর্থিক ঝুঁকির অন্যতম কারণ হতে পারে।
বিপিসির পরিচালন (অপারেশনস) বিভাগের এ কে মোহাম্মদ সামছুল আহসান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি পুরো খালাস কার্যক্রম দ্রুত অটোমেশনের আওতায় আনা হবে।