প্রকাশিত: September 29, 2026
পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের লাহোরে ব্যবসার কাজে আসা আজারবাইজানের ২০ বছর বয়সী এক তরুণীকে অচেতন করে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত তিন অভিযুক্তকে শনাক্ত করার পাশাপাশি মূল আসামিকে পালাতে সহায়তার অভিযোগে তার দুই আত্মীয়কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে এই ঘটনা ঘটে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি তাদের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আজারবাইজানের রাজধানী বাকুর বাসিন্দা ওই তরুণী দুই সপ্তাহ আগে টেক্সটাইল ব্যবসার কাজে পাকিস্তানে আসেন। জবানবন্দিতে তিনি জানান, গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে ডিএইচএ এলাকার একটি ক্যাফে থেকে কৌশলে তাকে একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে যান তিন ব্যক্তি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফ্ল্যাটে নিয়ে যাওয়ার পর ওই তরুণীকে মদ্যপানের পাশাপাশি জোরপূর্বক চেতনানাশক বা নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করানো হয়। এরপর তিনজন মিলে তাকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করে এবং মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে শহরের গাজী ইন্টারচেঞ্জ এলাকার নির্জন স্থানে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
লাহোর পুলিশের ডিআইজি (অপারেশনস) ফয়সাল কামরান জানান, তিন অভিযুক্ত—আহমেদ তানভীর, আলী ও মহসিনকে গ্রেপ্তারে পুলিশ দল মাঠে নেমেছে। মূল অভিযুক্ত তানভীরের সর্বশেষ অবস্থান শিয়ালকোট এলাকায় শনাক্ত করা হয়েছে এবং আসামিরা যাতে দেশ ছাড়তে না পারে, সেজন্য তাদের নাম ‘নো-ফ্লাই’ তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, লাহোরে চার মাসের মধ্যে এটি কোনো বিদেশি নারীকে ধর্ষণের দ্বিতীয় ঘটনা। এর আগে গত জুন মাসে এক ডাচ ও ভেনেজুয়েলীয় নারীকে একই কায়দায় ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে, যাতে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের জড়িত থাকার কথা ছড়িয়ে পড়েছিল।