রোগাক্রান্ত গরুর মাংস নিয়ে যাবার সময় দুই কসাই আটক

প্রকাশিত: October 2, 2026

  • শেয়ার করুন

পাবনার ফরিদপুরে রোগাক্রান্ত গরুর মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাবার সময় দুই কসাইকে হাতেনাতে আটক করেছে পুলিশ। পরে তাদের ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) দুপুরে তাদের সাজা দেওয়া হয়। এর আগে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে তাদের উপজেলার বেড়হাউলিয়া পূর্বপাড়া কাশেমের বটতলা নামক স্থানে আটক করা হয়।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, সাঁথিয়া উপজেলার পিপুলিয়া গ্রামের মঞ্জুর আলীর ছেলে রবিন প্রামানিক (২৫) ও খান মাহমুদপুর গ্রামের তাজের প্রামানিকের ছেলে মোলাই মাণিক ওরফে বাবর আলী (৪০)।

ফরিদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল হাসান মাসুদ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বুধবার রাতে পুলিশের একটি মোবাইল টিম উপজেলার বেড়হাউলিয়া পূর্বপাড়া কাশেমের বটতলা নামক স্থানে চেকপোষ্টে তল্লাসী চালাচ্ছিল। এ সময় সাঁথিয়াগামী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা থামিয়ে তল্লাশী করা হয়। অটোরিকশার পেছনের সিট ও ভিতর থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় একটি মৃত অথবা রোগাক্রান্ত গরুর চামড়া ছাড়ানো দেহের খন্ডিত অংশ সমূহ উদ্ধার করা হয়। যার ওজন আনুমানিক চার মন।

পরে অটোরিকশায় থাকা দুইজন সন্দেহভাজন যাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জানায়, তারা পেশাগতভাবে কসাই এর কাজ করে থাকেন। তারা ভাঙ্গুড়া উপজেলার পাটুলীপাড়া গ্রাম থেকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বাড়ি থেকে একটি অসুস্থ গরু ৪০ হাজার টাকায় কেনেন। পরে সেটি জবাই করে চামড়া ছিলে মাংস বিক্রির জন্য সাঁথিয়া পৌর এলাকায় তাদের মাংসের দোকানে নিয়ে যাচ্ছিল।

কিন্তু তারা গরুর মাংস সম্পর্কে বৈধ কোন কাগজপত্র দেখাতে না পারায় অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া এসআই নূর মোহাম্মদ সরকার ওই মাংস জব্দ করেন। পরে তাদের দুইজনকে বৃহস্পতিবার দুপুরে ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করা হয়। আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ইমামা বানিন স্বাক্ষ্য প্রমাণ শেষে তাদের ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। সাজাপ্রাপ্তদের বিকেলে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

  • শেয়ার করুন